সরকার পরিবর্তন হলেও কেউ যেন কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিতে না পারে— সেজন্য এসব ক্লিনিকে ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকালে রাজধানীতে ‘বেস্ট কমিউনিটি ক্লিনিক অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সরকারি অনুদানের মুখাপেক্ষী না থেকে কমিউনিটি ক্লিনিককে পুরোপুরি স্বাবলম্বী করে তুলতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠারও ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা রোগী মারার ডাক্তার যেন তৈরি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশও দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার পরিবর্তনে হলেও কোনো সরকার যেনো কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করতে না পারে সেজন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে— উল্লেখ করে, চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, সরকারি ওষুধ যেন বাইরে বিক্রি না হয় সে জন্যও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এর আগে শ্রেষ্ঠ ৭ কমিউনিটি ক্লিনিককে পুরস্কার প্রদান ও হেলথ কেয়ার প্রভাইডারদের জন্য ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদ্বোধন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবা গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সাড়ে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে এ পর্যন্ত চিকিৎসা সেবা পেয়েছে ৪০ কোটি মানুষ। যাদের মধ্যে ৮০% নারী ও শিশু। ২০২১ সালের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।