জেবুন্নাহার আইভি। যিনি আইভি রহমান নামেই বেশি পরিচিত। ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী, সফল সংগঠক।
শুধু রাজনীতি নয়, সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন আইভি রহমান। নারীর অধিকার আদায়, অবহেলিত শিশু ও প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করেছেন সারা জীবন।
২০০৪ সালে ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় ঘাতকদের গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত তিনি। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ২৪ আগস্ট।
নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচারের দাবি জানিয়েছেন তার আদর্শের অনুসারীরা।
১৯৪৪ সালের ৭ জুলাই ভৈরব শহরের চন্ডিবের গ্রামে জন্ম। ৮ ভাই ৪ বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। ১৯৫৮ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে পরিচয়, পরিণয়। বিয়ের পর স্বামীর হাত ধরেই সক্রিয় হন রাজনীতিতে। ১৯৭৫ সালে মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর কার্যনির্বাহী কমিটির সম্পাদক ও সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর গ্রেনেড হামলায় তিনি নিহত হওয়ায় যে শূণ্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা পূরণ হয়নি।