বাংলাদেশের বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়মদক সীমান্তে টহলরত অবস্থায় বুধবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি সদস্যদের ওপর মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় এক নায়েক আহত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেন, ওই এলাকা থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মিকে উৎখাত না করা পর্যন্ত যৌথ অভিযান চলবে।
বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়মোদক এলাকায় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিজিবির সঙ্গে মিয়ানমারের একটি 'বিচ্ছিন্নতাবাদী' গোষ্ঠীর গোলাগুলির পর ওই এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি ও সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান বিজিবি মহাপরিচালক ।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আগামী কয়েকদিন ওই এলাকায় সমন্বিত অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির মহাপরিচালক।
তিনি বলেন, ‘আশেপাশের পাহাড়ি এলাকা থেকে তাদের ওপর গুলি চালাতে থাকে হঠাৎ করে। এরপর তারা নৌকাগুলো তীরে এনে তারাও গুলির জবাব দেয়। নৌকা থেকে নামার সময় আমাদের এক নায়েক জাকিরের হাতে গুলি লেগেছে। এই অবস্থায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিজিবি এবং সেনাবাহিনী মিলে আশপাশের যেসব ক্যাম্প আছে সেগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’
মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ আরো জানান, গত কয়েকদিনে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ১০টি ঘোড়া থানচির বড়মোদক এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। এসব ঘোড়ায় করে ওই বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সীমান্ত পথে যাতায়াত ও অস্ত্র পরিবহন করে থাকে। ঘোড়া আটকের ঘটনার সঙ্গে অতর্কিত এই হামলার কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও তার ধারনা করা হচ্ছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকালে বান্দরবানের বড় মদকে বিজিবি টহলদলের ওপর মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীরা আক্রমণ করে এসময় বিজিবি তাদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালায়।
এ ঘটনায় বিজিবির একজন নায়েক আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ পরিচালনার জন্য ওই এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি ও সেনা সদস্য প্রেরণ করা হয়েছে।