বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৫ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে বিদ্যমান বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন বিলুপ্ত হবে। মন্ত্রণালয় অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেসরকারি খাতে নিবন্ধিত সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এ কর্তৃপক্ষের আওতায় আসবে।
সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশারারফ হোসাইন ভুঁইয়া।
বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের কার্যকারিতা সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে— উল্লেখ করে মন্ত্রণালয় অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেসরকারি খাতে নিবন্ধিত সব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এ কর্তৃপক্ষের আওতায় আসবে বলে জানান মন্ত্রীপরিষদ সচিব।
আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে বিদ্যমান বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন বিলুপ্ত হবে—মন্তব্য করে মোশারারফ হোসাইন বলেন, তবে কোন সংকট দেখা দিলে প্রচলিত নিয়মে ফয়সালা করতে হবে।
এছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে, হস্তান্তরিত প্রতিষ্ঠান ও কর্মপরিচালনাকারী জনবলের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে সম্পাদনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিনিয়োগ বাড়ানো ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে ১৯৮৯ সালে গঠিত হয় বিনিয়োগ বোর্ড। আর অলাভজনক প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তা বিক্রির উদ্দেশ্যে ১৯৯৩ সালে বেসরকারিকরণ আইনের মাধ্যমে গঠন করা হয় প্রাইভেটাইজেশন কমিশন। প্রতিষ্ঠান দু'টির কোনটিই এ পর্যন্ত কার্যকরী ও আশানুরূপ ফল দিতে না পারায় তা বিলুপ্ত করার চিন্তাভাবনা করে সরকার। সে লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠান দু'টিকে বিলুপ্ত ও একীভূত করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।