সারাদেশে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আরো কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানীতেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে, পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন জানিয়েছেন, মৌসুমী বায়ু এবং সঞ্চরণশীল মেঘমালার কারণে ভারি বৃষ্টি বুধবার পর্যন্ত থাকতে পারে।
ভারি বৃষ্টিতে নাকাল চট্টগ্রামবাসী। জলাবদ্ধতার কারণে গণপরিবহন চলাচল কমে গিয়ে নগরবাসীর ভোগান্তির মাত্রা আরো বাড়িয়েছে।
রাজধানীতে মঙ্গলবার বেলা ১১টার পর থেকে রাজধানীতে টানা প্রায় দেড় ঘণ্টা মুষলধারে বৃষ্টিপাতে বিভিন্ন সড়ক ডুবে যাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বেগ কিছুটা কমলেও বৃষ্টির এখনো অব্যাহত রয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীবাসী।
আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান বলেন, আজ সারাদিনই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে, তবে বেলা ৩টার পর বৃষ্টির পরিমাণ কমার সম্ভাবনা আছে। মৌসুমি বায়ুর কারণে আরো কয়েকদিন বৃষ্টি হবে।
সকালে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক, মগবাজার, বাংলামটর, রামপুরা, পুরান ঢাকার কিছু এলাকা ও এখানকার প্রধান প্রধান সড়কগুলো পানিতে ডুবে রয়েছে। নগরের রূপসী বাংলা হোটেল ও প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের সামনের সড়কও পানিতে তলিয়ে যায়।
বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে জলাবদ্ধতায় স্কুল কলেজ ফিরতে শিক্ষার্থীরা পড়েছে দুর্ভোগে।
মহাখালী, শান্তিনগর ও মৌচাক মোড়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বিকল হয়ে পড়ে যাত্রীরা পড়েন দুর্ভোগে।
বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের মূল ড্রেনগুলো ওয়াসার নিয়ন্ত্রণে থাকলে জনসাধারণ নিজ দায়িত্বে সেগুলোর মুখ খুলে দিয়েছে।
একটানা ভারি বৃষ্টিতে নাকাল চট্টগ্রামের বাসিন্দারা। জলাবদ্ধতার কারণে গণপরিবহন চলাচল কমে গিয়ে নগরবাসীর ভোগান্তির মাত্রা আরও বাড়িয়েছে।
বৃষ্টিতে নগরীর জিইসি মোড়, দুই নম্বর গেট, মুরাদপুর, চকবাজার, হালিশহর, বড়পোল, আগ্রাবাদ এক্সেস সড়ক, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঠানটুলী, মাদারবাড়ি, বাকলিয়া, ইপিজেড মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে পানি জমে আছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হলেও রাত থেকে শুরু হয় মূষলধারায়।
গত ২৪ ঘণ্টায় বন্দরনগরীতে ১৪৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ছিল মানুষের দুর্ভোগ। হাতেগোনা কিছু রিকশা পাওয়া গেলেও যাত্রীদের গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া। আর সীমিত সংখ্যক বাসেও ছিল উপচেপড়া ভিড়।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন জানিয়েছেন, মৌসুমী বায়ু এবং সঞ্চরণশীল মেঘমালার কারণে ভারি বৃষ্টি বুধবার পর্যন্ত থাকতে পারে।