দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্য পদ (টাঙ্গাইল-৪ আসন) থেকে পদত্যাগ করেছেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি দশম জাতীয় সংসদের ৭ম অধিবেশনে যোগ দেন।
এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেন।
অধিবেশনের মাধ্যমে তিনি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রটি অধিবেশনে পড়বেন কি না- জানতে চাইলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, তার প্রয়োজন নেই।
এর আগে সাবেক এ মন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শুনানিতে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগের দল থেকেও তাকে বহিস্কার করা হয়।
গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দেয় আপিল বিভাগ। এর ফলে তার সংসদ সদস্যপদ নিয়ে শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের যাওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টাঙ্গাইল সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নবী মুহাম্মদ (সা.), পবিত্র হজ, তাবলিগ জামাতসহ অন্যান্য বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন লতিফ সিদ্দিকী। এরপর প্রথমে মন্ত্রিসভা থেকে এবং পরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে।
লতিফ সিদ্দিকীকে বহিষ্কারের আট মাস পর বিষয়টি জানিয়ে আওয়ামী লীগের পাঠানো চিঠি গত ৫ জুলাই স্পিকার শিরীন শারমিনের হাতে পৌঁছায়।