ভিসা-সংক্রান্ত ব্যয় এবং অবৈধ ভ্রমণের প্রবণতা কমাতে বাংলাদেশিদের দীর্ঘমেয়াদি ভারতীয় ভিসা দেয়ার সুপারিশ করেছেন দেশটির দুই কূটনীতিক।
ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় উপহাইকমিশনার সন্দীপ চক্রবর্তী এবং ভিসা কনস্যুলার ও আইপিএস কর্মকর্তা সুমিত চতুর্বেদী ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা পর্ষদের দ্বিমাসিক পত্রিকায় এক যৌথ প্রবন্ধে এ সুপারিশ করেন।
বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন কলকাতার দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেয়া হলে অহেতুক ব্যয় এবং অবৈধ ভ্রমণের প্রবণতা কমানো যাবে— এতে অবৈধ অনুপ্রবেশও কমবে বলে জানান তারা।
ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন প্রতি বছর পাঁচ লাখের বেশি ভিসা দিয়ে থাকে। বিদেশে ভারতের যত মিশন আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভিসা দেওয়া হয় ঢাকা থেকে।
সন্দীপ ও সুমিত তাদের লেখার সুপারিশ করেছেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘমেয়াদি বহুমাত্রার (মাল্টিপল) ভিসা দেয়ার পদ্ধতি এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছ, এতে ভিসা নিয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করা গেছে তাই এ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের জন্যও চালু করা হলে দুর্নীতি ও ভোগান্তি কমে যাবে।
দুই কূটনীতিক আরো উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশিদের মেডিকেল ভিসা দেয়ার ব্যবস্থা সহজ করায় এতে অনেক সময় পর্যটকেরা জাল তথ্য ও কাগজপত্র দিয়ে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করেন
তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ভিসা দেয়ার ব্যবস্থা করা হলে ওই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানান তারা।
এরইমধ্যে বাংলাদেশের প্রবীণ নাগরিক ও শিশুদের ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের বহুমাত্রার ভিসা দেয়ার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে ভারত।
সন্দীপ চক্রবর্তী ঢাকা থেকে বদলি হয়ে এখন পেরু ও বলিভিয়ায় ভারতের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন।