আইনি জটিলতায় বাংলাদেশে সুশীল সমাজের মত প্রকাশের স্বাধীনতার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে বলে মনে করেন সফররত জাতিসংঘের ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ দূত হাইনার বিলেনফেল্ড।
বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে স্বল্প পরিসরে করা গবেষণার ফলাফল সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে তিনি এ কথা বলেন।
বিলেনফেল্ড বলেন, আইনি জটিলতা, সম্পত্তি দখল এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাংলাদেশে হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সফরে এসে এদেশের রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে এসব তথ্য পেয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে সব ধর্ম পালনের স্বাধীনতা যেমন রয়েছে, তেমনি ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রেও ধর্মকে বেশি ব্যবহার করা হয়।
এছাড়া সম্পত্তি দখল, ভয়-ভীতি, নিরাপত্তাহীনতা এবং আইনি জটিলতায় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা— উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, যেসব আইনে বাক স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, সেসব ক্ষেত্র পরিস্কার হওয়া উচিৎ।
লেখক, ব্লগারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি, অন্যের ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা যাতে ক্ষুন্ন না হয় এসব বিষয়েও সরকারের নজর দেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পন আইন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সংখ্যালঘুদের ভূমির অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ‘হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা।