ঈদুল আযহা উপলক্ষে চতুর্থ দিনের মতো অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার দেয়া হচ্ছে ২৩ সেপ্টেম্বরের টিকিট। অন্যান্য দিনের তুলনায় কমলাপুর রেল ষ্টেশনে টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড় অনেক বেশি। এদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে প্রথমবারের মতো তৈরি করা হয়েছে লঞ্চের টিকিট কাউন্টার। এসব কাউন্টারে পাওয়া যাচ্ছে লঞ্চের আগাম টিকিট।
রেলের আগাম টিকিটের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড় জমাতে শুরু করেন টিকিট প্রত্যাশীরা। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিশেষ ট্রেনের টিকিটসহ দেয়া হচ্ছে ২৩ সেপ্টেম্বরের প্রায় ১৮ হাজার টিকিট।
তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় কমলাপুরে টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড় আজ অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও টিকিট পেয়ে উচ্ছসিত যাত্রীরা। তবে মহিলা কাউন্টার মাত্র একটি হওয়ায় টিকিট পেতে বেশ ভোগান্তি হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
কমলাপুর ষ্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্ত্তী বলেন, আগামীতে কাউন্টারের সামনে বৈদ্যুতিক পাখার ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়াও মহিলা কাউন্টার বাড়ানোরও আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে, শুক্রবারও বিক্রি হচ্ছে লঞ্চের কেবিনের আগাম টিকিট। তবে এবার লঞ্চ যাত্রীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে টিকিট কাউন্টার। যা আগে সদরঘাটে ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের সব রুটের লঞ্চ কেবিনের আগাম টিকিট এসব কাউন্টারে পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়াও রাজধানীর গাবতলী ও মহাখালি বাস টার্মিনালের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। টিকিটের জন্য কোথাও নেই টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন। ২১, ২২, ২৩ সেপ্টেম্বরের টিকিট নেই বলে জানালেন পরিবহনের কর্মকর্তারা।
তবে অন্যান্য দিনের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে সহজেই।
এদিকে, ঈদে নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিশ্চিতের দাবি ও যানবাহনের টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল, মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মিছিল ও মানববন্ধনে ঈদে মানুষ যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান বক্তারা।
সেইসঙ্গে ট্রেন, বাস ও লঞ্চের টিকিটের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
এ সব অনিয়ম বন্ধে তদারকি বাড়ানোর জোর দাবি জানানো হয় মানববন্ধনে।