ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে পশু কোরবানির জন্য স্থান নির্ধারিত করে দেয়ার বিষয়টিকে নগরবাসী স্বাগত জানালেও এখন পর্যন্ত অনেকেই জানেন না তার এলাকায় কোরবানি দেয়ার স্থান কোনটি।
সেইসঙ্গে কোরবানির মাংস নেয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা থাকবে কিনা, মাঠগুলো কোরবানি দেয়ার উপযুক্ত থাকবে কিনা এসব নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন রাজধানীবাসী। আর দুই মেয়র আনিসুল ও সাঈদ খোকন বলেছেন, এটি বাধ্যবাধকতার কোনো বিষয় নয়।
তবে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে অপসারণে এবং নগরীর পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে নগরবাসী এ উদ্যোগে সাড়া দেবেন এমনটিই প্রত্যাশা দুই মেয়রের।
আসন্ন ঈদ উল আযহায় নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি দেয়ার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যে ৩২৪টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে ধানমন্ডি ৪ নম্বরের এ খেলার মাঠ তার মধ্যে একটি।
তবে মাঠের বর্তমান অবস্থা পশু কোরবানি দেয়ার জন্য মোটেই উপযুক্ত নয়। সেইসঙ্গে এখন পর্যন্ত অনেকেই জানেন না তার নিজ এলাকায় কোরবানি দেয়ার স্থান কোনটি। তবে কাউন্সিলররা জানান, সব কাজ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।
সবাই একবাক্যে সিটি করপোরেশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও কোরবানির পর মাংস নেয়ার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা থাকবে কিনা, কসাই পাওয়া যাবে কিনা এমন নানা ধরনের প্রশ্ন রয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।
নগরবাসীর পাশাপাশি দুই সিটি মেয়রও এই উদ্যোগের সাফল্য নিয়ে কিছুটা সংশয়ে রয়েছেন।
তবে তারা বলেন, একবার শুরু না হলে ভুলভ্রান্তি বের করা সম্ভব হবে না—আর এবারের অভিজ্ঞতা আগামীবারের ব্যবস্থাকে ত্রুটিমুক্ত রাখতে সহায়তা করবে।
আর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপকরা জানান, দুই মেয়রের ঘোষিত সময়ের আগেই এবার বর্জ্য অপসারণে দুই সিটি করপোরেশনের সতের হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।