সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে নিহতের তালিকায় বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুর কথা জানা গেছে। আহত তালিকায়ও বাংলাদেশি হাজিরা রয়েছেন। তবে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে এখনো বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ তালিকা হস্তান্তর করা হয়নি।
নিহতের তালিকায় বাংলাদেশি এক হাজি রয়েছেন।
সৌদি আরবে বাংলাদেশের হজ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, নিহত ও আহতদের সংখ্যা বাড়ছে এজন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ তালিকা চূড়ান্ত করেনি তাই পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যায়নি।
এ হজ কর্মকর্তা আরো বলেন, হাসপাতালগুলোতে খবর নেয়া হচ্ছে, হতাহতের মধ্যে বাংলাদেশিরা আছেন। তবে এখনই সংখ্যা বলা যাচ্ছে না।
আসাদুজ্জামান বলেন, জামালপুরের খন্দকার মাজহারুল ইসলাম তাদের জানিয়েছেন তার মা ফিরোজা খানম মারা গেছেন। এ ধরনের অনেক খবর পেয়েছি পুরো তথ্য পেলে তখন গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
এদিকে, সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাজি পাড়া এলাকার জুলিয়া হুদা (৪৮) নামের এক নারী হাজি মারা গেছেন বলে পরিবার পরিজন জানিয়েছে।
সুনাগঞ্জ থেকে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, স্বামী বদরুল হুদা মুকুলের সঙ্গে হজ করতে সৌদি আরব যান জুলিয়া হুদা। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাজি পাড়ায় তাদের বাড়ি।
বদরুলের বড় ভাই জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা মুকুট তার ছোট ভাই বদরুল হুদা মুকুলের স্ত্রী জুলিয়া হুদা সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল পবিত্র মক্কাশরীফে হজের আনুষ্ঠানিকতায় মিনায় শয়তানকে পাথর মারার সময় পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ৭১৭ হাজি মারা যান।
আহত হয়েছেন কমপক্ষে প্রায় সাড়ে ৮০০ জন হাজি। সৌদি সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, মিনায় উদ্ধারকাজ চলছে। সৌদি আরবের এখবারিয়া টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, এবার ২০ লাখের মতো মানুষ মক্কায় হজ পালন করছেন।
মাত্র ১২ দিনের মাথায় মক্কার মসজিদ আল-হারামে ক্রেইন উল্টে ১০৯ জনের মৃত্যুর পর আবারো এ দুর্ঘটনা ঘটলো।