ঢাকাবাসীর সচেতনতার কারণেই ২৭ ঘণ্টার মধ্যে এবার কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণ দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক। রোববার উত্তরের নগরভবনে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, দক্ষিণ সিটির পশুর হাটগুলোতে ইজারাদাররা সময়মতো বাঁশ-খুটি না সরানোয় হাটকেন্দ্রিক বর্জ্য এখনও সম্পূর্ণ অপসারণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন।
আর উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, নাগরিকরা সচেতন না হলে সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে এত দ্রুত বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব ছিল না।
তিনি বলেন, ‘মানুষ সচেতন হলে একটা কাজ কতটা সহজে করা যায়, এই ঈদের বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে সেটাই প্রমাণ হলো।’
ভবিষ্যতেও সিটি করপোরেশনের অন্যান্য জনহিতকর পদক্ষেপে নগরবাসী এমনভাবেই সাড়া দেবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি।
বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর সহায়তার জন্য তাদের প্রতি ধন্যবাদও জানান উত্তরের মেয়র।
এদিকে, দুই সিটি মেয়রের তৎপরতার কারণেই অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দ্রুত কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন নগরীবাসী।
ঈদের দিন দুপুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণেই কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে রাজধানীর দুই সিটি মেয়র ঘোষণা দিয়েছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অপসারণ করা হবে সব বর্জ্য। দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য দুই সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছিল। সেইসঙ্গে বিভিন্ন লিফলেট দিয়ে এবং মসজিদে ঘোষণা দিয়ে নগরবাসীকে যেখানে সেখানে কোরবানির বর্জ্য না ফেলার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বর্জ্য রাখার জন্য সিটি করপোরেশন থেকে দেয়া হয়েছিল ব্যাগ।
সিটি করপোরেশনের এসব পদক্ষেপের কারণেই এবারে রাজধানীর অলিগলিসহ সব স্থান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কোরবানির বর্জ্যমুক্ত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন নগরবাসী। দুই মেয়রকেও এজন্য ধন্যবাদ জানান তারা।