সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে নিহতদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১০ বাংলাদেশি হাজির পরিচয় শনাক্ত করেছে সরকার।
ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৯৮ জন হাজি।
নিখোঁজদের খুঁজে বের করা এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্ত ও আহতদের চিকিৎসা সেবা দিতে একাধিক টিম সেখানে কাজ করছে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. বোরহান উদ্দীন।
তবে মক্কায় বাংলাদেশ হজ অফিস নিহত ২২ বাংলাদেশি হাজির একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। এদিকে, হজের ফিরতি ফ্লাইট আজ থেকে শুরু হয়েছে।
হাজিদের উদ্ধার কাজে সরকারের একাধিক টিম কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমতির বাইরে কোনও কাজ করা যাচ্ছে না। তবে তাদের প্রকাশ করা ছবি দেখে শনাক্তের কাজ চলছে। চিকিৎসাসেবা দিতে নিজস্ব মেডিকেল টিম কাজ করছে।
এদিকে, ধর্মমন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সৌদি আরবে এসব কাজ তদারকি করছেন বলে জানান তিনি।
এবছর সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে পবিত্র হজ পালন করতে ১ লাখ ৬ হাজার হাজি সৌদি আরবে যান।
গত ২৫ বছরের মধ্যে সৌদি আরবে হাজিদের হতাহতের ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৯০ সালে। মক্কার এক টানেলে পদপিষ্ট হয়ে ওই বছর ১ হাজার ৪২৬ হাজি নিহত হন। আর এবছর মিনায় পদপিষ্ট হয়ে ৭৬৯ জন হাজি নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ৯৩৪ জন। এর কয়েকদিন আগে ১১ সেপ্টেম্বর মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারামে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ক্রেন ভেঙে ১১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত এ বছর হজকে কেন্দ্র করে ৮৮০ জন নিহত হয়েছেন। নিহতেদর মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি হাজির পরিচয় শনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়। আর নিখোঁজ রয়েছে ৯৮ বাংলাদেশি হাজি।