দুই বিদেশি নাগরিক হত্যা তদন্তে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট।
সোমবার সকালে প্রেসক্লাবে কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডি-ক্যাবের মিট দ্য প্রেসে তিনি এ কথা বলেন।
নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার কথা আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছিল— সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখানোয় এ সময় বাংলাদেশে প্রসংশাও করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
বার্নিকাট বলেন, এমন একজন প্রধানমন্ত্রী এখন বাংলাদেশে রয়েছেন, যিনি সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে তিনি জানান, জিএসপি পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে।
বাংলাদেশে ‘আইএস-এর উত্থান’ ঠেকাতে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন বার্নিকাট বলেন, এদেশে আইএস-এর উত্থান ঠেকাতে যা দরকার তা আমাদের আছে।
এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে দুই বিদেশি নাগরিক খুনের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস-এর দায় স্বীকারের খবর আসার প্রেক্ষাপটে বার্নিকাট এ বক্তব্য দিল।
সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস মৌলবাদ ঠেকাতে যে সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও ঐকান্তিকতা প্রয়োজন, বহু বছরের অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে আমরা তা অর্জন করেছি বলে জানান তিনি।
সন্ত্রাসবাদকে একটি ‘বৈশ্বিক সমস্যা’ হিসেবে বর্ণনা করে বার্নিকাট বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এ বিষয়টি সামাল দেয়ার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
আর আমাদের দুই দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান বার্নিকাট
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দুই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আইএস এর জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ এখনো মেলেনি— বাংলাদেশে আইএস-এর মত কোনো জঙ্গি সংগঠনের তৎপরতা নেই বলেও ইতোমধ্যে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।