গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাংসদ মঞ্জুরুল ইসলামকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে–জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
বুধবার রাজধানীতে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান-২০১৫ উদ্বোধন করেন এ কথা বলেন মন্ত্রী।
শিশুকে গুলি করার পরও গাইবান্ধার ওই সাংসদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি কেন— সরকারদলীয় সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমনটি ঘটছে?
এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আইন সবার জন্য সমান— তিনি সরকারি দলের সাংসদ, নেতা-কর্মী বা যিনিই হন তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
গত শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশে সুন্দরগঞ্জ-বামনডাঙা সড়কে চাচা শাহজাহান আলীর সঙ্গে হাঁটার সময় গুলিবিদ্ধ হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শাহাদাত হোসেন (সৌরভ)। শাহাদাতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাংসদ মঞ্জুরুল ওই সময় পাজেরো গাড়ি থামিয়ে শাহজাহানকে ডাকেন। শাহজাহান ভয়ে দৌড় দিলে সাংসদ গুলি ছোড়েন। শিশুটির দুই পায়ে তিনটি গুলি বিদ্ধ হয়। বর্তমানে সে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গত শনিবার রাতে শাহাদাতের বাবা সাজু মিয়া সাংসদকে একমাত্র আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগ আনা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই বিদেশি নাগরিক হত্যার বিষয়ে সরকারের তৎপরতা সম্পর্কে জানতে চাইলে কামাল বলেন, ‘গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এ বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে—পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদেশি কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের বিষয়টি অবহিত করেছি।’
বাসার সবাইকে বেঁধে পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ খিজির খানকে হত্যার বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বসে নেই। তারা এ নিয়ে কাজ করছে।’
এসব ঘটনার সঙ্গে জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘জেএমবির মতো সংগঠন আবারো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা তাদের দমন করছি। আটক করছি। চট্টগ্রামে জেএমবির শাখা প্রধানসহ একটি বড় জঙ্গি দলের বিরুদ্ধে আপনারা অভিযান দেখেছেন। আমরা থেমে নেই। আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’