রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবনসহ দক্ষিণাঞ্চলের জীব বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান।
সুন্দরবনের রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল যৌথভাবে এ লংমার্চ শুরু করে। শুক্রবার দুপুরে লংমার্চটি খুলনা পৌঁছায়।
এসময় সরকারের বৈধতার প্রশ্ন তুলে সিপিবির উপদেষ্টা মনজুরুল আহসান খান অভিযোগ করেন, সরকার তার ক্ষমতার অপব্যবহার করছে।
এতে অংশ নেয়া নেতা-কর্মীরা রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধের জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সিপিবি ও বাসদ যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া এ লংমার্চ নগরীর ফুলতলা, দৌলতপুর ও শহীদ হাদিস পার্কে সমাবেশ ও পথসভা করে। শনিবার বাগেরহাটে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হবে লংমার্চ।
লংমার্চটি রাতে খুলনায় যাত্রাবিরতি করে শনিবার বাগেরহাট যাবে। সেখানে সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ লংমার্চ।
এর আগে, গত ১৩ অক্টোবর বিকালে ঢাকার প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এই লংমার্চ যাত্রা শুরু করে। পথে বিভিন্নস্থানে পথসভা, সভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। একই দাবিতে দ্বিতীয় দফায় লংমার্চের মত কর্মসূচি নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ১ হাজার ৮’শ ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ ও ভরাট করে ভারত সরকারের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় পর্যায়ক্রমে ২ হাজার ৬শো ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।