রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধের দাবি অযৌক্তিক— এ প্রমাণ দিতে আন্দোলনকারী ও সাংবাদিক সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটেতে আয়োজিত মিট দ্য প্রেসে তিনি এ কথা বলেন।
'মিট দ্য প্রেসে' তিনি বলেন, প্রয়োজনে উন্নত দেশে এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র কিভাবে পরিচালিত হয় সেটিও দেখানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও দেশে এখনই জ্বালানি তেলের দাম কমছে না উল্লেক করে তেলের গুনগত মান বাড়ানো হবে বলে জানান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।
আগামীতে ২০১৮ সালের মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও এ সময় তুলে ধরেন তিনি।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, দাম না কমলেও তেলের গুণগত মান বৃদ্ধি করা হবে।
এদিকে, রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে শেষ হয়েছে লংমার্চ।
সকালে খুলনা থেকে বাগেরহাটে লংমার্চটি পৌঁছালে বেলা ১২টায় বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লংমার্চটি বাগেরহাটের বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল সহকারে পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং সিপিবি কার্যালয়ে গিয়ে সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা।
এসময় বক্তারা জাতিসংঘ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের ওপর যে পুরস্কার পেয়েছেন তার সম্মান রক্ষার্থে সুন্দরবনের সন্নিকটে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সকল প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রকল্প বন্ধের মাধ্যমে জীববৈচিত্র রক্ষার আহ্বান জানান।
পরে তারা রাজধানীতে ফিরে এসে সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করে সুন্দরবনে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রতিহত করার অঙ্গীকারের মাধ্যমে লংমার্চের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এর আগে গত ১৩ অক্টোবর বিকেলে ঢাকার প্রেসক্লাবের সামনে থেকে এ লংমার্চ যাত্রা শুরু করে।