প্রায় ৪০০ বছরের ইতিহাসে ঢাকায় তাজিয়া মিছিলে প্রস্তুতির সময় বোমা হামলার ঘটনা ঘটল। মনে করছেন, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যেই এ হামলা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, এদেশে ব্লগার হত্যা, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বানচাল, ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর হামলা, আইএস এর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে। প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে এ ধরণের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সজাগ থাকার পরামর্শ তাদের।
৪০০ বছর ধরে শিয়া মতাবলম্বীরা আশুরা পালনে ঢাকায় তাজিয়া মিছিল বের করে আসছেন। কোনো হুমকি বা হামলার ঘটনা ঘটেনি কখনোই। শুক্রবার রাতে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা হামলার ঘটনায় তাই বিস্মিত গোটা দেশ।
এমন ঘটনা একেবারে অপ্রত্যাশিত নয় বলে মন্তব্য নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বানচাল, ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর হামলা ও এদেশে ইসলামিক স্টেট আইএস এর অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত শক্তির দিকেই ইঙ্গিত তাদের।
আবার অনেকের মতে, কিছু মানুষের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা কমে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে, ধর্মকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে যারা উদ্যত তাদেরই কাজ এই বোমা হামলার ঘটনা।
এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে সামাজিক আন্দোলনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ ও অধ্যাপক শামছুল আলম।
তবে সার্বিকভাবে রাষ্ট্রকেই এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে বলে তারা মনে করেন মে. জে. আব্দুর রশীদ।