আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদাসীনতার কারণেই আশুরায় তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলার শিকার হতে হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহতরা। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান আহতদের পরিবার।
এদিকে, এ হামলার শিকার আহত ১৬ জনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। বাকিদের অবস্থা স্বাভাবিক থাকলেও স্প্রিন্টারের ক্ষত সেরে উঠতে সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে দেড় বছরের শিশু কায়েস। মা-বাবা ছাড়া জগতের কারো সঙ্গেই তেমন কোনো পরিচয় নেই। তাই আশুরা পালনে মায়ের কোলে চড়েই তাজিয়া মিছিলে যোগ দেয়া। কিন্তু মিছিল বের হওয়ার আগেই ঘটে বোমা হামলার ঘটনা। ছোট্ট শিশু কায়েসসহ আহত হন একই পরিবারের ৫ জন।
এরপর থেকে কায়েস বাবা-মার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেলের বিছানায়। কখনো মায়ের কাছে কখনো বাবার কোলে। ব্যাথার যন্ত্রনা যেন তাড়া করে ফিরছে অবোধ এই শিশুটিকে।
পরিবার পরিজন নিয়ে ৩৫ বছর ধরে এই দিনে হোসেনি দালানে আসা হয় সানোয়ারের। কোন হুমকি বা হামলার ঘটনা ঘটেনি কখনোই। ঢাকায় তাজিয়া মিছিলের ৪০০ বছরের ইতিহাসে সন্ত্রাসের কোন নজির ছিল না এর আগে। শুক্রবার রাতে বোমা হামলার ঘটনায় সবার মতোই বিস্মিত সানোয়ারের পরিবার।
ঢাকা মেডিকেল ছাড়াও মিডফোর্টসহ বিভিন্ন মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহতরা। কিন্তু এসব কিছুই আশুরার চেতনাকে ম্লান করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন আহতরা।