বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে উদযাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৌদ্ধধর্মের ঐতিহ্য ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনকে পর্যটনে আরো ভালোভাবে সংযুক্ত করার বিষয়ে আয়োজিত সম্মেলন উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
পর্যটন শিল্পকে গতিশীল করতে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা-২০১০ ঘোষণাসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে—উল্লেখ করে গোটাদেশকে পর্যটন ভূমি হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে তার সরকারের নেয়া পদক্ষেপের কথা জানান।
এশিয়া মহাদেশে বৌদ্ধ সংস্কৃতিতে পর্যটক বৃদ্ধিতে সকলকে রোডম্যাপ অনুসারে কাজ করারও আহবান জানান শেখ হাসিনা।
সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, পর্যটন শিল্পে শুল্কহার কমানো হয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য টুরিস্ট পুলিশ নিয়োগ দেয়া, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের কাজ চলছে।
জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডব্লিউটিও এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ প্রধান দেশগুলোসহ মোট ১২টি দেশ অংশ নিয়েছে।
টুরিজম বোর্ডের তথ্যমতে, পাহাড়পুর, ময়নামতি মহাস্থানগড়সহ সারাদেশে রয়েছে অন্তত ৫'শ বৌদ্ধ স্থাপনা। ভারত-নেপালের মতো বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে এসব স্থাপনায় দেড় লাখ পর্যটক আকৃষ্ট করতে পারলে এখাতে আয় হবে প্রায় ৬'শ কোটি টাকা।