বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ (বুধবার)। ১৯৭১ সালের এ দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন তিনি। তার স্মরণে সেখানে নির্মিত হয়েছে স্মৃতিসৌধ। তবে, অব্যবস্থাপনার কারণে স্মৃতিসৌধটি দেখতে এসে নানা দুর্ভোগে পড়েন পর্যটকরা।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়ন। একাত্তরে এখানকার চা বাগান সংলগ্ন ধলই সীমান্ত চৌকিতে পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধে এক পর্যায়ে শত্রুর গুলিতে শহীদ হন সিপাহী হামিদুর রহমান।
দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করায় তাকে দেয়া হয় বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি। ১৯৯২ সালে ধলই সীমান্ত চৌকিতে নির্মাণ করা হয় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ।
যথাযথ ব্যাস্থাপনায় এটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন তার সহযোদ্ধারা। তার স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধটি দেখতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসেন দর্শনার্থীরা।
তবে যথাযথ ব্যবস্থাপনার অভাবে স্মৃতিসৌধটি দেখতে এসে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয় তাদের। এদিকে ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে তার স্মৃতিসৌধটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি তাদের।
২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাসা গ্রাম থেকে বাংলাদেশে এনে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।