চাঁদপুরের ইলিশ মাছের ডিমের চাহিদা দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিদেশেও। চাহিদা অনুযায়ী গত কয়েক বছর ধরে ইলিশের ডিম রপ্তানি করা হচ্ছে বেশ কয়েকটি দেশে। এতে আয় হচ্ছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। তবে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রজনন মৌসুমের সময় ডিমওয়ালা ইলিশ ধরছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, স্বাদে অনন্য হওয়ায় চাঁদপুরের ইলিশ মাছের ডিম চাহিদা রয়েছে দেশে ও দেশের বাহিরে। ইলিশের ডিম কেজি প্রতি ১৪ টাকা করে বিক্রি করা হয়। যা প্রক্রিয়াজাত শেষে রপ্তানি করা হয় আমেরিকা, ভারত ও পাকিস্তানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। গত কয়েক বছর ধরে ইলিশের ডিম বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে দেশ।
চাঁদপুর সভাপতি মৎস ও বনিক সমিতি মো. মিজানুর রহমান কালু বলেন, ইলিশের ডিমের এই চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে এক শ্রেনীর অসাধু জেলে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিমওয়ালা ইলিশ শিকার করছে।
ইলিশ বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ডা. মো. আনিছুর রহমান বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমের পর সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা যেসব ইলিশ ধরছেন তার বেশিরভাগই ডিমওয়লা ইলিশ। এ অবস্থায় ইলিশের প্রজনন মৌসুম নিয়ে দ্বন্দে পড়েছেন।
তাই আগামী প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সময় পনুঃনির্ধারণ নিয়ে দাবি জানিয়েছেন এ ইলিশ বিশেষজ্ঞ।