দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী।
বুধবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তায় পারস্পারিক সহযোগিতা সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ—এ কথা জানিয়ে এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে জাপান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু জানান, মজুদ কমতে থাকায় আবাসিক খাতে সিলিন্ডার গ্যাস সরবরাহের কথা ভাবছে সরকার।
একই কারণে গ্যাস ব্যবহৃত সার কারখানাগুলোও ধীরে ধীরে বন্ধ করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বর্তমান সরকার যেসব লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে তা পূরণে জ্বালানী সক্ষমতার কোন বিকল্প নেই। এসব চাহিদা পূরণে সরকার নানান বিকল্প চিন্তাভাবনা করছে বলেও জানান তিনি।
সেমিনারে বক্তারা এ অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তা, পারস্পারিক সহযোগিতা এবং এসব ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতার ওপর আলোকপাত করেন।
এসময় ঢাকায় নিযুক্ত জাপানী রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে বলেন, ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ খাত নিয়ে বাংলাদেশ সরকার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা পূরণে জাপানের অভিজ্ঞতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তা শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিক-বিআইএসএস এবং জাপান ফাউন্ডেশন।