জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন

খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপের প্রস্তাব নাকচ শেখ হাসিনার

শেখ হাসিনা
শেখ হাসিনা

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সংলাপের বসার প্রস্তাব আবারো নাকচ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় গণভবনে সদ্য সমাপ্ত নেদারল্যান্ডস সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

বিএনপি-জামায়াতের কাউকে আওয়ামী লীগে নেওয়া যাবে না, এরা মানুষের জাত না

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর:

যেখানে যা ঘটছে, তার সঙ্গে খালেদা জিয়ার হাত আছে।

হত্যা বন্ধে দেশবাসির কাছে সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী।

কারো ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত লাগে এমন লেখা যেন না লেখা হয়।

হত্যার হুমকির সব তালিকার শীর্ষে আমি (শেখ হাসিনা) আছি।

উনি তখনই আলোচনায় বসার যোগ্যতা অর্জন করবেন যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সমর্থন করবেন।

রাজনীতিতে এতো সংকট ও দৈন্যতা আসেনি যে একজন খুনির (খালেদা জিয়া) সঙ্গে বসতে হবে।

জাতীয় ঐক্যমতের সুযোগ যখন এসেছিল তখন তিনি (খালেদা জিয়া) তা গ্রহণ করেননি।

বাংলাদেশ মোটেও অনিরাপদ নয়, বাংলাদেশ নিরাপদ।

পরিকল্পিত হত্যা হচ্ছে, সামনে এই গোষ্ঠীর আরও অনেক পরিকল্পনা আছে।

দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন অনিরাপদ-অনিরাপদ বলে আওয়াজ তোলার চেষ্টা হচ্ছে।

বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র যেমন আছে, দেশের ভেতরও তেমনি ষড়যন্ত্র আছে।

বাংলাদেশে জঙ্গি আছে এটা প্রমাণ করে এদেশের ওপর হামলে পড়তে চায় অনেকেই।

নেদারল্যান্ডসের রানী এ মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ সফর করবেন।

জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ওয়ান ডে ম্যাচ বিজয়ী বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন।

তিনি বলেন, আইএস নিয়ে প্রচারণা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

শেখ হাসিনা বলেন,আগুন দিয়ে মানুষকে হত্যার পরও যেখানে দেখা যাচ্ছে যে তারা কিছু করতে পারছে না— তাই একটি গ্রুপ নেমেছে গুপ্ত হত্যায়।

তারা চেষ্টা করছে বাংলাদেশে আইএস আছে সেটা প্রমাণ করার। যদি তা করতে পারে তা হলে বাংলাদেশে কি ঘটতে পারে তা একবার কল্পনা করতে পারেন— পাল্টা এ প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সিরিয়ায় কি হচ্ছে, লিবিয়ায় কি হচ্ছে, ইরাকে কি হচ্ছে… ওইসব দেশে যা হচ্ছে, তারা বাংলাদেশেও সেই অবস্থা সৃষ্টি করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ‘ওই অবস্থা সৃষ্টি হোক’তা তার সরকারের কাম্য নয়।

প্রচণ্ড চাপ.. যে আমরা কেন স্বীকার করি না— আমরা দেখতে পাচ্ছি… কে, কারা এসব করছে। আমাদের যে সমাজ, তাতে সবাই তো চেনা। যারা ধরা পড়ছে, তারা একটি বিশেষ দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, হয়ত ছাত্রজীবনে শিবির করেছে, ছাত্রদল করেছে এছাড়া কাউকে তো দেখা যাচ্ছে না।

বিদেশি খুনের পর প্রকাশক হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী বিদেশে থাকার সময়ই ঢাকার আশুলিয়ায় তল্লাশি চৌকিতে হামলা চালিয়ে এক কনস্টেবলকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল এবং দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে বিএনপি-জামাত জোটই এসব করাচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান করবো সরকার কে সহযোগিতা করুণ। এক সময় জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তার সমাধান করেছি। এবারো সরকার জনগণকে নিয়েই তা মোকাবেলা করবে।

এর আগে তিন দিনের সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরেন শেখ হাসিনা।

ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের আমন্ত্রণে গত মঙ্গলবার এই সফরে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সফরে ইউরোপের দেশটির সঙ্গে চারটি চুক্তি সই হয়েছে বাংলাদেশের।

এক যুক্ত বিবৃতিতে বলা হয়, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধিতে ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস একমত হয়েছে।

শেখ হাসিনা ডাচ রানি ম্যাক্সিমার সঙ্গেও দেখা করেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির প্রশংসা করেন রানি।

দেশটিভি/এএ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ