চলমান যুদ্ধাপরাধের বিচার দ্রুত সম্পন্ন এবং তাদের দল জামাত নিষিদ্ধ করতে না পারলে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি পুনরায় দেশকে বিপদগামী করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
রোববার সকালে জাতীয় জাদুঘরে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের জাতীয় ৪ নেতা হত্যা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত আলোচনায় তারা এ কথা বলেন।
এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর কোন সংহতি হয়নি বরং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার করে ঘাতকরা বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল— ওইদিন জেনারেল জিয়া ক্ষমতা কুক্ষিগত করে যুদ্ধাপরাধীদের পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন।
এসময় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীরা দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সহ-সভাপতি লেঃ জেনারেল হারুন অর রশীদ (অব:) বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়েও পাকিস্তানের দোসররা থেমে থাকেনি— তারই প্রতিফলন ঘটে ১৯৭৫ সালে। জাতীর জনকসহ ৪ নেতা, এরপর একে একে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে ঘাতকরা পুনরায় স্বাধীন দেশকে পাকিস্তানে পরিণত করতে চেয়েছিল বলে মনে করেন তিনি।
এছাড়া জাতীয় ৪ নেতাসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যান কে এম শফিউল্লাহ।
এর পাশাপাশি যারা যুদ্ধাপরাধের বিচার বাধাগ্রস্থ করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উপর জোর দেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্ঠা করছে যারা কখনোই তাদের অপচেষ্টা সফল হবেনা— উল্লেখ করে এ ব্যাপারে সতর্ক করে দেন অনুষ্ঠানের অন্যান্য বক্তারা।