নতুন বেতন কাঠামোতে সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল পুনর্ববহাল, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনসহ বিভিন্ন দাবি পূরণে এ মাস পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে প্রকৃচি বিসিএস সমন্বয় কমিটির নেতারা। সোমবার রাজধানীতে এ দাবির কথা তুলে ধরেন তারা।
তবে তাদের দাবি পূরণে সরকার যে ঘোষণা দিয়েছে তার স্বাগত জানিয়ে নেতারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যক্ষ উদ্যোগ না নেয়া হলে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন তারা।
এদিকে আগামী ১৭ নভেম্বর তাদের দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি দেবে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি।
নতুন বেতন কাঠামোতে টাইমস্কেল, সিলেকশন পুর্নবহাল, পদোন্নতি, পদায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে দুই মাসের বেশি সময় ধরে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক এবং বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসের ২৬টি ক্যাডার ও বিভিন্ন ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তারা আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন।
তাদের অভিযোগ নতুন বেতন কাঠামোতে নানাভাবে বৈষম্য এবং অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
এমনকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মুখ্য কর্মকর্তা ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিয়ে তাদের পদমর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।
এদিকে, তাদের দাবি বাস্তবায়নে সরকার ঘোষণা দিলেও আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যক্ষ বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেখার কথা বলেন, বিসিএস সমন্বয় কমিটির মহাসচিব মো. ফিরোজ খান।
তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদে একজন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
এদিকে, সাধারণ বিসিএস শিক্ষা সমিতি আগামী ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত তাদের দাবি পূরণে সরকারকে সময় দিয়েছে।
সমিতির নেতারা বলেন, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল হওয়ায় বেতন কাঠামোতে তাদের পুরনো সুযোগ হারিয়েছেন নতুন করেও কোনো সুযোগ তৈরি হচ্ছে না।
একই দাবিতে আন্দোলন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও।