বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এ বছর স্বাক্ষরিত উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি কার্যকর করতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সোমবার দিল্লিতে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশের নৌ সচিব শফিক আলম মেহেদী ও ভারতের জাহাজ চলাচল সচিব রাজীব কুমার।
এর আগে রোববার নয়াদিল্লিতে ভারতের সড়ক ও নৌ যোগাযোগ মন্ত্রী নীতিন গড়কড়ির উপস্থিতিতে দেশটির জাহাজ চলাচল মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম মহাপরিচালক অমিতাভ কুমার ও বাংলাদেশের নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও জাহাজ নিরীক্ষক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সেখানে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচলে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
নীতিন গড়কড়ি এসওপি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বলেন, চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু হলে পণ্য পরিবহনের খরচ অনেকটাই কমে আসবে। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যও বাড়বে অনেকগুণ।
গত জুনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি হয়—ওই চুক্তি কার্যকর করতে নীতিমালা ও অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত করে এ এসওপি স্বাক্ষরিত হলো।
এর ফলে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি জাহাজগুলো অনুমতি নিয়ে ছয় হাজার টন পর্যন্ত পণ্য পরিবহন করতে পারবে। এসব জাহাজ নদীপথেও পণ্য পরিবহন করতে পারবে।
গত ২০১৩-১৪ সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নৌপথে ১৮ লাখ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যার ৯৮ শতাংশই হয়েছে কলকাতা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী বন্দরের মধ্যে।
প্রসঙ্গত: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গত জুনে স্বাক্ষরিত উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি কার্যকর করতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হলো।