সব রাজনৈতিক দল নিয়ে ঐক্যের নামে খুনিদের হালাল করার ফর্মূলা দিয়েছে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন ও সবাইকে নিয়ে ঐক্যের ফর্মূলা মানে খুনিদের হালাল করার ফর্মূলা—গণতন্ত্রের স্বার্থের জন্য এটা গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ বক্তব্যের মধ্যদিয়েই তিনি বিএনপির সঙ্গে জামাত-জঙ্গিবাদ-মৌলবাদের রাজনৈতিক সন্ধিকে হালাল করতে চাইছেন। হালাল করার এই দর-কষাকষির হাতিয়ার বানানোর অপচেষ্টাও সফল হবে না।’
রাজনৈতিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে দমন করা যায় বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদের এ কথা জবাবে—ইনু বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া জয়ী হওয়াই কি গণতন্ত্র বলে সাংবাদিকদের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন।
নির্বাচন বিএনপির আসল এজেন্ডা নয় তারা নির্বাচনের দাবির আড়ালে জলঘোলা করে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করে ক্ষমতায় আসতে চায় বলে জানান তিনি।
বিএনপি নিজেই গণতন্ত্রের পথ ছেড়ে সন্ত্রাস নৈরাজ্য, নাশকতা সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে—এ কথা উল্লেক করেন তিনি।
বিএনপির মতে তারা নির্বাচনে অংশ নিলেই জয়ী হলেই গণতন্ত্র থাকে--যা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন বিএনপির মূল এজেন্ডা নয়—এ কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচনের দাবির আড়ালে দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ক্ষমতায় আসতে চায় পাঁয়তারা করছে।
ইনু আরো বলেন, বিএনপি –জামাত ও যুদ্ধাপরাধীচক্র বাংলাদেশে নাশকতা ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত।
বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দলে পরিণত করেছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া— তিনি সন্ত্রাসী নেত্রী হিসেবে রাজনৈতিক আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলেও এ সময় মন্তব্য করেন ইনু।
খালেদা জিয়াকে ‘আগুন সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী।
যেহেতু খালেদা জিয়াকে সন্ত্রাসী নেত্রী বলছেন, তাহলে তাকে দেশে ফিরতে বাধা দেবেন কি না—সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে আসাতে কোনো বাধা দেয়া হবে না, স্বাগত জানাব কারণ বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে আসাই বাঞ্ছনীয়।’