এখনো রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেননি তারা—করলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করা হবে— জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খান কামাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এ দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকরে আইনের কোনো ব্যতয় ঘটবে না বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আদালত যেভাবে জানিয়েছে, তাদের বিষয়ে সেভাবেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
শুক্রবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে কামাল বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনের বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি তারা—তবে ক্ষমা চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, সকালে কেন্দ্রীয় কারাগারে মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করতে যান আইনজীবীরা। তবে মুজাহিদের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি এখনো পাননি তারা।
এরইমধ্যে ফাঁসির আদেশ কার্যকরের জন্য এরইমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।
মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য আইনজীবীরা আবেদনে উল্লেখ করা সময় অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে জেলগেটে অবস্থান করছেন।
গতকাল মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুজাহিদের ছেলে বলেন, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বাবা মুজাহিদ।
রাতেই তার আইনজীবীরা শুক্রবার সকালে মুজাহিদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি জানান।
মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আল বদর কমাণ্ডার আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রিভিউ আবেদন বুধবার খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ। এরপর বৃহস্পতিবার ওই আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়। রাত ৮টার কিছুক্ষণ পর রায়ের কপি নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় কারাগারে। এরপর রাত সাড়ে ১০টার পর এ দুই যুদ্ধাপরাধীকে আলাদাভাবে রায় পরে শোনায় কারা কর্তৃপক্ষ।