জাতীয়

বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা সাকা ও মুজাহিদের

সাকা-মুজাহিদ
সাকা-মুজাহিদ

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা এ বিচারের শুরু থেকেই করে আসছিলেন দুই যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।

ফাঁসির দণ্ড থেকে বাঁচার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সময় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বাংলাদেশে ছিলেন না এটি প্রমাণ করতে আদালতে দিয়েছেন জাল সার্টিফিকেট। এসব অপকর্মের কারণে তাদের আইনজীবীকেও তিরস্কার করেছেন প্রধান বিচারপতি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া ফাঁসির রায়ের পর থেকেই সাজা থাকে বাঁচতে নানা অপচেষ্টাই চালিয়েছিলেন যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী- সাকা চৌধুরী।

ট্রাইব্যুনাল থেকে ঘোষণার আগেই কম্পিউটার থেকে চুরি করে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে রায় প্রকাশ করা হয়—এ বিষয়ে একটি মামলাও বিচারাধীন। রায়কে ন্যায়ভ্রষ্ট এবং আইন মন্ত্রণালয় থেকে চাপিয়ে দেয়ার কথাও বলা হয় তার পরিবার থেকে।

এখানেই থেমে থাকেননি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দেশে ছিলেন না প্রমাণ করতে আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদনের শুনানির সময় দাখিল করেন পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সনদ ও প্রশংসাপত্র। যাতে কিছু বিষয়ের ওপর গুরুতর সন্দেহ পোষণ করেন প্রধান বিচারপতি।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে ১৯ সংখ্যাটি বড় এবং ৭১ সংখ্যাটি ছোট। যা ট্রাইব্যুনালের দেয়া ডকুমেন্টের সঙ্গে কোনো মিল নেই।

তার যে সনদ ও প্রশংসাপত্র দেয়া হয়েছে তাতে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ধরনের লোগো ব্যবহার করা হয়েছে।

সার্টিফিকেটের সেশনে লেখা ১৯৭১ আর প্রশংসাপত্রের সেশনে লেখা ১৯৭০-৭১

সনদ ও প্রশংসাপত্রের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের বানানেও পার্থক্য রয়েছে।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ যুদ্ধাপরাধীর ভর্তি দেখানো হয়েছে ১৯৬৮ সাল এবং বলা হয়েছে সে ক্রেডিট ট্রান্সফার করেছে ওই সময় এমন কোনো নিয়মই ছিল না।

আসামিপক্ষ থেকে একটি মিথ্যা কথা ঢাকতে শত শত মিথ্যা কথা বলা হয়েছে-- আদালতে দাখিল করা প্রত্যকটি নথিই ছিল জাল বলে অভিমত ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী তুরিন আফরোজের।

রিভিউ আবেদনে মুজাহিদও কম চেষ্টা করেননি ফাঁসির দণ্ড থেকে বাঁচার জন্য। যুক্তি দেখিয়েছেন বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞের সময় তার সম্পৃক্তা না থাকার কথা।

আদালতে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন মুজাহিদের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। কিন্তু তার এসব খোড়াযুক্তি ধোপে টেকেনি আদালতের কাছে।

যুদ্ধাপরাধীদের আইনজীবীসহ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ