এ দুই যুদ্ধাপরাধী ‘ক্ষমা চেয়েছে বলেই আমরা এ মন্ত্রণালয় থেকে আরেক মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছি, ক্ষমা না চাইলে আমরা এ কাজ করব কেন—এ প্রশ্ন রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘তারা ক্ষমা চেয়েছে বলেই আইনমন্ত্রী আনিসুল হক রাষ্ট্রপতির কাছের যাওয়া কথা বলেন।’
কামাল আরো বলেন, পরিবারের কাছে হয়তো এ বিষয়ে জানা ছিল না— ক্ষমা আমাদের মাধ্যমে চেয়েছেন দণ্ডিতরা। পরিবারের সদস্যরা শাস্তি মওকুফের সব চেষ্টাই করছেন— এসব আবেদনপত্র গোপনীয়, প্রকাশ করা যাবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘তাদের হয়ত জ্ঞানের অভাব আছে কারণ কাগজগুলো আমাদের কাছে সংরক্ষণ করা আছে, তবে পরিবারের দেখার সুযোগ নেই।’
অপরাধ স্বীকার করে সংবিধানের ৪৯ ধারা অনুযায়ী প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন দুই যুদ্ধাপরাধী— না জেনে বিষয়টি বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যরা।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথমে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন বদর নেতা মুজাহিদ ও পরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী।
তিনি বলেন, ৪৯ নম্বরে রয়েছে, কোনো কর্মকাণ্ডের পরে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে পারে— ধরেই নিয়েছিলাম, তারা ক্ষমা চাইবে না তবে শনিবার -সকালে মুজাহিদ প্রথমেই ৪৯ অনুসারে ক্ষমা চান।
এরপর সাকা চৌধুরী ইংরেজিতে লেখা চিঠিতে ৪৯ উল্লেখ করে ক্ষমা চান— পরে তাদের আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দেয়া হয় বলে জানান তিনি।