দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়াতে প্রাণভিক্ষা নিয়ে দণ্ডিতদের পক্ষ থেকে মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে –এ মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
রোববার সচিবালয়ে আলাদা আলাদাভাবে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আইন ও সংবিধান অনুযায়ী তারা আবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করেননি এবং আইন মেনেই রায় কার্যকর করা হয়েছে এ নিয়ে বির্তকের কোনো সুযোগ নেই।
এদিকে, প্রাণভিক্ষার আবেদন না করলে রায় কার্যকরে বিলম্ব হতো না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শাস্তি মওকুফে দণ্ডিতদের পরিবার সব ধরনের চেষ্টা করেছে।
আর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, প্রাণভিক্ষার মধ্যদিয়ে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে তারা।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের বিষয়ে রোববার সচিবালয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা।
এ বিচার ও রায় কার্যকর করা নিয়ে অন্য কোনো রাষ্ট্রের চাপ ছিল না জানিয়ে, এ ব্যাপারে বিদেশী মানবাধিকার সংস্থার বক্তব্যের সমালোচনা করেন আইনমন্ত্রী।
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও মুজাহিদের প্রাণভিক্ষার আবেদন সরকারের কাছে রয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শাস্তি মওকুফে তাদের পরিবার সব ধরনের কৌশলই অবলম্বন করেছে।
রায় কার্যকরকে কেন্দ্র করে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আইন মেনেই তারা অপরাধ স্বীকার করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন বলে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, এ নিয়ে বির্তক সৃষ্টির সুযোগ নেই।
রায় কার্যকর নিয়ে দেশে-বিদেশে সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রায় পাঁচ বছর এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ৪ বছর ৬ মাস সময় পেয়েছেন আত্মপক্ষ সমর্থনের।
সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে অভিযুক্তদের সবধরণের অধিকার রক্ষা করেই তাদের বিচার ও রায় কার্যকর করা হয়েছে।