যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের ফাঁসি নিয়ে পাকিস্তান সরকারের উদ্বেগ প্রকাশ আন্তর্জাতিক রীতিনীতির লঙ্ঘন এবং তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল বলে মন্তব্য করেছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে সংগঠনের নেতারা পাকিস্তানের এমন আচরণের বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে মন্তব্য করে বিএনপি মূলত জামাতকেই সমর্থন করেছে বলেও অভিযোগ করেন ফোরামের নেতা হারুন হাবিব ও লে. কর্নেল হারুনুর রশীদ।
এ সময় নেতারা অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক রীতি ও দায়বদ্ধতা এড়িয়ে পাকিস্তান ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে যা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের শামিল।
আন্তর্জাতিক ফোরাম ও সার্ক সম্মেলনে পাকিস্তানের এমন ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণের বিষয়টি তুলে ধরতে সরকারের প্রতি আহবানও জানান তারা।
এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপি মন্তব্য করে জামাতের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম।
গত ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর যুদ্ধাপরাধী আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম রায় কার্যকর করা হয়। তখন এ যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে পাকিস্তান পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত শনিবার সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যাতে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি কার্যকরে পাকিস্তান উদ্বিগ্ন এবং বিরক্ত বলে উল্লেখ করা হয়।