যুদ্ধাপরাধীদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত, শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয় করার দাবি জানিয়েছে ৭১ এর ঘাতক দালাল নিমূর্ল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
যুদ্ধাপরাধীদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত, শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়সহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন ৭১ এর ঘাতক দালাল নিমূর্ল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।
এ সময় তিনি জামাতকে নিষিদ্ধ করে এর সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, শিক্ষা এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানও রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান।
যেসব সংগঠন যুদ্ধাপরাধীদের সর্মথন করে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।
যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি এবং আর্থিক যোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে যথাযথ আইন প্রণয়ন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংযোজনের দাবিও জানান ব্যারিস্টার আমিরুল ও বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক।
এছাড়া যেসব সংগঠন যুদ্ধাপরাধীদের সর্মথন করে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান ইতিহাসবিদ মুনতাসির মামুন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নজির আছে উল্লেখ করে বাংলাদেশেও এটা করা যেতে পারে বলে মত দেন আমেরিকান জুরিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কানাডা চেপ্টারের প্রাক্তন সভাপতি উইলিয়াম স্লোন।