প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের বিদায়ী হাই-কমিশনার পঙ্কজ সরণ। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় তারা দুদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের মাধ্যমে দু'দেশের সম্পর্ক আরো গভীর হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
দায়িত্বপালনকালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনেরর সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান বিদায়ী এই হাই কমিশনার।
পরে সেখানে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের বিদায়ী হাই-কমিশনার রবার্ট গিবসন। উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও এসময় জানান রবার্ট গিবসন।
তার নতুন নিয়োগের কথা জানিয়ে শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘খুব শিগগিরই’ মস্কো মিশনে যোগ দিচ্ছেন সরণ।
বাংলাদেশে সরণের উত্তরসূরির নাম ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তিনি হলেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। থাইল্যান্ড থেকে ঢাকায় হাই কমিশনারের দায়িত্ব নিয়ে আসছেন তিনি।
শ্রিংলা ভারতের ফরেন সার্ভিসে সরণের দুই বছরের কনিষ্ঠ। সরণ ফরেন সার্ভিসে ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা।
পেশাদার কূটনীতিক সরণের বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের সময়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
২০০৮ সালের ভোটে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষের পর নির্বাচন নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনও করেছিল বিএনপি।
বিএনপির নেতাদের অনেকে সরাসরিই বলে থাকেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ ‘একতরফা’ নির্বাচন করে ক্ষমতা ধরে রেখেছে।
সরণের মেয়াদের মধ্যে বাংলাদেশ-ভারতের দীর্ঘকালের সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়, যার ফলে দুই দেশের ছিটমহলগুলোর বিনিময় হয়।
তবে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি ঝুলে থাকা অবস্থায়ই বিদায় নিচ্ছেন তিনি।