গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সরকারের দিক থেকেই বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে না বরং অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দিক থেকেও বাঁধাগ্রস্ত হয়—বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী।
শনিবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে ‘গণমাধ্যম ও সুশাসন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের ভিত্তি উল্লেখ করে ড. গওহর রিজভী বলেন, সামাজিক গণমাধ্যম এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও স্বাধীন। তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সংবাদ আটকে রাখা যায় না।
এ সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান বলেন, অপরাধের যথাযথ শাস্তি না হওয়ায় দুর্নীতি দূর হচ্ছে না।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের গুরুত্ব উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, দুর্নীতির সংবাদ প্রচারের পরেও অনেক ক্ষেত্রেই অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত হয় না।
দুর্নীতি রোধে শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের তাগিদ দেন সাবেক এ উপদেষ্টা।
এদিকে, এ বছর টেলিভিশন ও সংবাদপত্র মিলিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ছয়জনকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার দিয়েছে টিআইবি।
এর আগে সভায় দুর্নীতি বিরোধী কিংবা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ বা প্রচারেও এখন গণমাধ্যম অনেক বেশি শক্তিশালী উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যমে বিপুল বিনিয়োগে বিশাল শিল্পে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে বৈচিত্র, উপস্থাপনা, দক্ষতা এবং প্রযুক্তির মিশ্রনে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।