অগ্রহায়ণের শেষ দিনে ভোরের কোমল আলোয় প্রকৃতিও যেন স্মরণ করছে জাতির সূর্য সন্তানদের। ৭১ এর এই দিনে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছিল জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। তাই বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞের মূলহোতা মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের পর এই বিশেষ দিনটিতে যোগ হয়েছে এক ভিন্নমাত্রা।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ঋণ কোনোভাবেই শোধ করা সম্ভব নয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে তাদের রক্তের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করা যাবে বলে অভিমত সাধারণ মানুষ ও বুদ্ধিজীবীদের স্বজনদের।
সোমবার সকাল থেকেই রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিভিন্ন সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
সবাইকে বাড়ি থেকে ধরে আনা হয়েছিল কিছুক্ষণ পরই ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে। কিন্তু কেউই আর ফিরেননি তারা। অনেকের মরদেহও পাওয়া যায়নি। এখনো প্রিয় মানুষটির স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান প্রিয়জনরা।
যারা যুদ্ধ দেখেছেন এবং একাত্তর পরবর্তী তরুণ প্রজন্ম-যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি তাদেরও দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।