ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের বিতর্কিত কর্মকর্তা সেকেন্ড সেক্রটারি ফারিনা আরশাদকে শেষমেশ বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে পিআইএ'র একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন।
জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে ফারিনাকে নিয়ে অভিযোগ ওঠার কারণেই তাকে পাকিস্তানে ফেরত নেওয়া হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে বলা হচ্ছে।
গোয়েন্দা পুলিশের থেকে পাওয়া তথ্যনুযায়ী, ফারিনা আরশাদ গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছিল নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে। এ চক্রে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি গোয়েন্দা পুলিশের জালে আটক এক জেএমবি সদস্যের জবানবন্দি ও টেলিকথনে মিলেছে বাংলাদেশে পাকিস্তানি ওই কূটনীতিকের ‘তত্পরতার’ নানা তথ্য।
গত ২৯ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা ও খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ইদ্রিস শেখসহ ৪ জনকে। তাদের ৮ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ইদ্রিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় , পাকিস্তান হাইকমিশনের এক নারী কর্মকর্তার সঙ্গে জেএমবি নেতাদের ভালো সম্পর্ক রয়েছে।
এর আগে, জঙ্গি অর্থায়ন সন্দেহে গত জানুয়ারীতে পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মকর্তা মাযহার খানকে বাংলাদেশ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।