সংঘাতপূর্ণ রজনীতির কারণে ধুকে ধুকে চলছে দেশের শাসন কাঠামো— এতে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়গুলো মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
রোববার সকালে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয় সার্বিকভাবে দেশের অবকাঠামতগত কিছু অগ্রগতি হলেও এখনো রয়ে গেছে নানা দুর্বলতা। ফলে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতগুলোতে মিশ্র অবস্থা বিরাজ করছে। এসব কারণে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
বাংলাদেশের শাসন পরিস্থিতি' সংক্রান্ত বার্ষিক গবেষণা প্রতিবেদন গণমাধ্যমের সামানে তুলে ধরতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ব্র্যাক সেন্টারে। এতে বিগত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান ও তথ্যের ভিত্তিতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন গবেষকরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও এখনো অনেক কিছুই করা বাকি।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক সহিংসতার বিষয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান ব্র্যাকের সহযোগী গবেষক মো. হারুন-অর-রশিদ।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মিশ্র ফলাফল লক্ষ্য করা গেছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে পড়ায় তা উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে।
এছাড়া শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান গবেষকরা।
গণমাধ্যমের সংখ্যা বাড়লেও পেশাগত মান বাড়েনি এবং কর্মক্ষেত্রে সাংবাদিক হয়রানি বাড়ার কথা তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে।