জাতীয়

ক্ষমা চাইতে হবে খালেদা জিয়াকে

সমাবেশ
সমাবেশ

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজার দাবিতে মঙ্গলবার গুলশানের বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

এতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিসহ মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রগতিশীল বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটূক্তিকারীদের আইনের আওতায় আনতে মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার অপরাধ আইন প্রণয়নেরও দাবি জানান তারা। এর পাশাপাশি কর্মসূচি বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহার করে খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহবানও জানানো হয়েছে কর্মসূচি থেকে।

ঘেরাও কর্মসূচিতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় প্রথমেই খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যেন কটূক্তি করা না যায়, এ জন্য মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার অপরাধ আইন করারও দাবি জানান তিনি।

শাহরিয়ার কবির বলেন, এটা কূটনৈতিক এলাকা— ভিয়েনা কনভেনশন মেনেই আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি আর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে আমরা এখান থেকে চলে যাব।

এ সময় সমাবেশে আসা বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর রায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশদ্রোহের সামিল।

এ বক্তব্যের জন্য অবিলম্বে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, তার গুলশানের বাসভবন ঘেরাওয়ের জন্য এখন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে তারা খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ঘেরাও করেন।

রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর গোলচত্বরে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সন্তান ও স্বজনেরা অবস্থান নেয়। সেখানে তারা খালেদা জিয়ার সাজার দাবিতে নানা স্লোগান দেন ও মিছিল করছেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত আছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দীন ইউসুফ, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরীসহ প্রমুখ।

প্রসঙ্গদ: গত সোমবার রাজধানীতে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে খালেদা জিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে। আজকে বলা হয় এত লক্ষ লোক শহীদ হয়েছে। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।

খালেদা জিয়ার ওই মন্তব্যের পর মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। গত শুক্রবার প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, গুলশান ২ নম্বর গোলচত্বরের পাশে ৭৯ নম্বরে খালেদা জিয়ার বাসভবন এবং ৮৬ নম্বরে তার কার্যালয়।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ