বিএনপি-আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে, রাজধানী ছিল নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী। যেকোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা কিংম্বা নাশকতা ঠেকাতে তৎপর ছিল পুলিশের পাশাপাশি র্যা বের সদস্যরাও। সমাবেশ স্থলের আশপাশের সড়ক ছাড়া নগরীর অধিকাংশ সড়কেই তেমন যানজট ছিল না।
আর গণপরিবহন কম থাকায় এবং কোথাও কোথাও যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
জননিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় রেখে, কর্মসূচি পালনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভোগান্তির শিকার মানুষজন।
রাস্তার মোড়সহ, অলি-গলির মাথা, প্রায় সব যায়গায়ই সতর্ক অবস্থায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। উদ্দেশ্য বিএনপি-আওয়ামী লীগের সমাবেশকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা ঠেকানো এবং জননিরাপত্তা ঠিক রেখে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা।
এ জন্য তল্লাশি চৌকি বসানোর পাশাপাশি তৎপর ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকটি ভ্রাম্যমান টিম।
কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলার খবর না পাওয়া গেলেও সমাবেশে যোগ দিতে আসা লোকজনের চাপে বন্ধ হয়ে যায় অনেক ব্যস্ত সড়ক।
ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল, জিরো পয়েন্ট থেকে গুলিস্তান অভিমুখী সড়ক এবং মিরপুর রোডের রাসেল স্কয়ার থেকে পরিবহন ঘুরিয়ে দেয়া হয়। এতে এ এলাকাগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে, রাজধানীতে প্রাইভেট কারের পাশাপাশি রাস্তায় লোকচলাচলও অনেক কম ছিল। কিছু কিছু যায়গায় পর্যাপ্ত গণপরিবহণ থাকলেও, যাত্রী ছিল না।
প্রেসক্লাব থেকে শাহবাগ হয়ে, কাওরান বাজার-ফার্মগেট, বিজয়সরণী এবং রাসেল স্কয়ার থেকে মিরপুরগামী সড়ক ছিল অনেকটাই ফাঁকা।