দেশের কোথাও জমি যেন পতিত পড়ে না থাকে সেদিকে নজর দেয়ার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবাদি জমি ব্যবহারে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ার মাধ্যমে রপ্তানি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ৩২ জনকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও মুখোপেক্ষী নয় বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলবে বাংলাদেশ।
নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে সমালোচকদের দেখিয়ে দিয়েছে সরকার বলে জানান তিনি।
কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সারাদেশে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে খাদ্য ঘাটতি দূর করা সম্ভব হবে— এজন্য কোনো জমি যেন অনাবাদী পড়ে না থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে দেশের বেকার যুবকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশি দেশগুলোর কৃষিপণ্য বাজারজাতের মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদানের সুযোগ নিতে পারে দেশ।
দেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো কাছে হাত পেতে যেন চলতে না হয় সেলক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
নিজের জন্য নয়, জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
দেশের কৃষি নির্ভর অর্থনীতি এগিয়ে নিতে কৃষি ও কৃষিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যান্য অবদানের জন্য ৫ জনকে স্বর্ণপদক, ৯ জনকে রৌপ্য ও ১৮ জনকে ব্রোঞ্জ পদক তুলে দেন তিনি।