টঙ্গীর তুরাগ পাড়ে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা। ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল রয়েছেন ময়দানে উপস্থিত মুসল্লীরা। মুরুব্বীদের আমবয়ানে ঈমান, আমল ও আখলাকের কথা শুনছেন দেশ-বিদেশ থেকে সমবেত লাখ লাখ মুসল্লি।
শুক্রবার হওয়ায় প্রতিবারের মতোই জুমার নামাজ আদায় করতে আশপাশের এলাকার মানুষও জড়ো হচ্ছেন ইজতেমা ময়দানে। এদিকে, বার্ধক্য জনিত রোগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভোরে ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে টঙ্গীর তুরাগপাড়ে শুরু হয়েছে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন আর বিশ্ব শান্তি কামনায় দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লি সমবেত হয়েছেন ইজতেমা ময়দানে। এর আগে রাতভর চলে জিকির-আসগার।
জুমা নামাজ আদায়ে ইজতেমা প্রাঙ্গণে জড়ো হন আশপাশের এলাকার মুসল্লিরাও। এমনকি, ময়দানের পাশে বিভিন্ন বাড়ির ছাদ থেকেও নামাজে অংশ নেয় মানুষ। জুমা শেষে দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়।
ইজতেমা ময়দানের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারিতে রয়েছে র্যা ব-পুলিশ সদস্যরা।
অন্যান্যবারের মতো মুসল্লিদের আনা নেওয়ার জন্য রয়েছে বিশেষ বাস সার্ভিস। এবছর দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ঢাকাসহ ৩২টি জেলার মুসল্লিরা এবার দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন।
এরমধ্যে প্রথম পর্বে ১৬ জেলার মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। আর দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিবেন বাকী ১৬ জেলার মুসল্লিরা। গাজীপুরসহ বাকী ৩২ জেলার মুসল্লিরা বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দেবেন আগামী বছর।
ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত হবে ১০ জানুয়ারি। আর দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ১৫ জানুয়ারি। ১৭ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।