বিসিএসে ৩৪ ও ৩৫তম কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে শূন্যপদে কোটা শিথিলের প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।
এদিকে, জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি ২০১৬ এবং হজ প্যাকেজ ২০১৬ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ বিষয়ে সমর্থনের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
ফলে মুক্তিযোদ্ধা, নারী কিংবা নৃতাত্ত্বিক কোটায় কাউকে না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে শূন্যস্থান পূরণ করা হবে।
তিনি বলেন, নিয়োগ হয়ে যাওয়া ৩৪তম বিসিএসে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে কোটার বিপরীতে ৬৭২টি শূন্যপদ রয়েছে— এ পদগুলো ৩৫তম বিসিএসের মেধা তালিকা থেকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পূরণ করা হবে।
এদিকে, লিখিত পরীক্ষা হয়ে যাওয়া ৩৫তম বিসিএসে মোট ১৮০৩টি পদে নিয়োগ দেয়া হবে।
এ বিসিএসেও কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে কোটার বিপরীতে যোগ্য লোক না পাওয়া গেলে সেগুলোও এই বিসিএসের মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হবে জানান সচিব।
তিনি আরো বলেন, মুক্তিযোদ্ধা, নারী, নৃতাত্ত্বিক ইত্যাদি কোটার বিপরীতে যোগ্য লোক পাওয়া যাচ্ছে না— এই কারণে পদ শূন্য থেকে যাচ্ছে এতে সঙ্কট তৈরি হয়েছে।
এদিকে, জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি ২০১৬ এবং হজ প্যাকেজ ২০১৬ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, সরকারিভাবে এবার হজে যাবেন ৫ হাজার ও বেসরকারি পর্যায়ে যাবেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮৬৮ জন।
সরকারি পর্যায়ে কোরবানিসহ খরচ পড়বে ৩ লাখ ৬০ হাজার ২৮ টাকা। কোরবানি ছাড়া খরচ ৩ লাখ ৪ হাজার ৯২৩ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মৌলিক খরচ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪১ টাকা। এর সঙ্গে খাওয়া-বাড়ি ভাড়া যোগ করে সংশ্লিষ্টরা বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো জানান, সরকার অনুমোদিত এজেন্সিগুলো সর্বোচ্চ দুটি প্যাকেজ পরিচালনা করতে পারবে।
গত বছরের অসঙ্গতিগুলো এবার দূর করা হবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া ৩৪তম বিসিএসের কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের ৬৭২টি এবং ৩৫তম বিসিএসের ১৮৩টি শূন্য পদ ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে পূরণের প্রস্তাবও অনুমোদন হয় মন্ত্রিসভায়।
কোরবানিসহ গত বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে মোট খরচ ছিল ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৫ টাকা।