দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় যে কোনো অশুভ শক্তিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুরের খলেয়ায় শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া শেষে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দরবারে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
প্রশিক্ষণে দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ও আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর মাধ্যমে আধুনকি ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।
এ সময় সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
দুপুর ১২টা ২০মিনিটে মহড়াস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রংপুরের খলেয়া ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক ও জেনারেল অফিসার কমান্ডার ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার (রংপুর এরিয়া) মেজর জেনারেল মাসুদ রাজ্জাক।
আয়োজিত মহড়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্মুখ সমরে শত্রুবাহিনীর হাত থেকে কীভাবে ভূখণ্ড উদ্ধার করা হয়, সেই কৌশলের অনুশীলন করে দেখান। পরে মহড়া পরিদর্শন শেষে দরবার হলে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত মহড়া ‘ব্রিগেড গ্রুপ আক্রমণ’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার রংপুরের পাগলাপীরে খলেয়া হেলিপ্যাডে পৌঁছায়।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা।
রংপুরে শেখ হাসিনার সঙ্গে রয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দিক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদ ও প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।