এ মাসের শেষের দিকেই সিইটিপি বা কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধানাগারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে চায় সরকার। তবে এ জন্য প্রস্তুত নয় ট্যানারি মালিকরা। কারণ সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে চলতি মাসের মধ্যে কোনো কারখানাই উৎপাদনে যেতে পারবে না বলে জানিয়েছেন এ খাতের নেতারা।
আর ট্যানারি সরিয়ে নিতে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তারা আদৌ সেখানে ট্যানারি নির্মাণ করতে পারবেন কি-না, তা নিয়েও সংশয় আছে।
তালিকায় এমন কিছু প্রতিষ্ঠান আছে, যাদের আর ট্যানারি শিল্পের সঙ্গে কোনো সংশ্লিষ্টতাই নেই।
হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের শর্তে চামড়া শিল্পনগরীতে সরকারি প্লট বরাদ্দ পেয়েছেন। পেয়েছেন ক্ষতিপুরণ বাবদ নগদ অর্থ। তবে সেই প্লট, এখনো প্লট হিসেবেই পড়ে আছে। অগ্রগতি বলতে, যায়গাটা শুধু টিন দিয়ে ঘিরে দেয়া হয়েছে।
এ রকম ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে এরই মধ্যে আইনি নোটিশ দিয়েছে সরকার। অভিযোগ আছে, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো নাকি অনেক আগেই ট্যানারি ব্যবসা গুটিয়ে ফেলেছেন। অনেকের সম্পদের চেয়ে ব্যাংকের দেনাই বেশি। তাই তাদের পক্ষে আর সেখানে যাওয়া সম্ভব কিনা, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।
তবে এবার এ নিয়ে কঠোর অবস্থানে সরকার।
অন্যদিকে দ্রত গতিতে এগিয়ে চলছে সিইটিপির নির্মাণ কাজ। চলতি মাসের ২৭ তারিখ থেকে অন্তত দুটি ইউনিটে পরীক্ষামূলকভাবে বর্জ্য শোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।
তবে শোধন করতে যে পরিমাণ বর্জ্য দরকার তা পাওয়া যাবে কি না, এ নিয়ে আছে অনিশ্বচয়তা। কারণ পুরো নির্মাণ কাজ শেষে করে, এ মাসের মধ্যে কোন ট্যানারিই উৎপাদনে আসতে পারবে না বলে দাবি, ট্যানারি মালিক সমিতির নেতাদের।
সব মিলিয়ে পুরো সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে, আরও প্রায় ছয় মাস সময় লাগবে বলে তাদের দাবি।