স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে পৃথক পুলিশ বিভাগ গঠনসহ ১৮ দফা দাবি জানিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এছাড়া রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
পুলিশের শৃঙ্খলার দায়িত্ব পুরোপুরি বাহনীর ওপর অর্পণ, অধিদপ্তর নয় দাপ্তরিকভাবে 'পুলিশ সদরদপ্তর' ঘোষণা, পর্যাপ্ত যানবাহন, আবাসন, ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন দাবি উঠে এসেছে দাবিনামায়।
বুধবার পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেন।
পরে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।
পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পুলিশের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের উধ্বতন কর্মকর্তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনেই বিভিন্ন বিষয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ ও দাবিদাওয়া তুলে ধরেন।
ক্ষোভ জানিয়ে পুলিশের এসপি পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের জন্য বাহিনীর প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হয়। দলীয়ভাবে পুলিশকে ব্যবহার না করারও দাবি জানান তারা।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে মূল দাবি ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগ গঠন। ঝুঁকি ভাতা নিশ্চিত করা। পুলিশ সদস্যের অপরাধের তদন্ত পুলিশ বিভাগই করবে। দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যের পরিবারকে ১৫ বছর রেশন দেয়া। যানবাহন সমস্যা সমাধান করা। পুলিশ অধিদপ্তর না লিখে সদরদপ্তর লেখা। আইজিপিকে সব ধরনের ক্রয়ক্ষমতা দেয়া।
এছাড়া, কাউন্টার টেররিজম ইউনিট গঠনের দাবিও জানান তারা।
পুলিশের জেলাপর্যায়ে থানাগুলোকে আরো আধুনিক করার দাবি জানানো হয়। জেলাপর্যায়ে মোবাইল ট্র্যাকার ও আইসিটি সরঞ্জাম প্রদান। র্যা ব-ভাতার বিষয়ে নতুন বেতন স্কেলে ঘোষিত বৈষম্য দূর করা।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বরাবর নিজেদের একটি ব্যাংকের দাবি করেছে পুলিশ বিভাগ। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও তাদের সম্মতি জানিয়েছেন। তবে ব্যাংক তৈরির জন্য যেসব নিয়ম রয়েছে তা পূরণ করলে পুলিশের নিজস্ব ব্যাংকের অনুমতি দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।