সিম নিবন্ধনের নামে টাকা আদায়কারী রিটেইলারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাহকপর্যায়ে কোনো রকম বাড়তি ‘ফি’ বা বাড়তি টাকা নেয়ার সুযোগ নেই, এটা আমাদের বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। বিটিআরসি এরইমধ্যে একটি পত্র প্রেরণ করেছে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, তারপরও যে সমস্ত রিটেইলাররা টাকার নেয়ার কাজটি করছে—আমরা ঐকমতে পৌঁছেছি মোবাইল ফোন অপারেটররা সেটির ক্ষেত্রে তদন্ত করবেন। সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কালোভুক্ত করবেন তারপর তার রিটেইলারশিপ বাতিল করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, তদন্ত সাপেক্ষে রিটেইলারদের কালো তালিকা ভুক্ত করে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা জন্মনিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে আপাতত নিবন্ধন করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।
মোবাইলফোন গ্রাহকদের কলড্রপ মনিটর করার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
কল ড্রপের বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে— এ কথা উল্লেখ করে তারানা বলেন, এসএমএস ও অনলাইনে গ্রাহকদের অগ্রগতি জানানো হবে।
তারানা হালিম বলেন, কলড্রপে ক্ষতি পূরণের নির্দেশনা রয়েছে— চিঠি দেয়ার পরপরই কার্যকর করার কথা।
সচিব বলেন, অ্যাকশনে (নির্দেশনা) যাওয়ার পর মনিটরিং হচ্ছে কি না- বিটিআরসি এটা মনিটরিং করবে। প্রতিমন্ত্রী বিটিআরসিকে নির্দেশনা দিয়েছেন এটা মনিটর করার জন্য যাতে গ্রাহকরা বেনিফিট পায়।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মুহমুদ বলেন, এটার জন্য নির্দেশ আছে, এখন না করলে পরবর্তীতে আবারও বসবো। গ্রাহকদের উপর মনিটরিং অনেকখানি নির্ভর করে, আমরা যদি সঠিকভাবে জানতে পারি, যে কোন গ্রাহক কতবার কলড্রপ করলো বা ক্ষতিপূরণ পেল না, তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আমাদের কাছে এলে সুবিধা হয়।