অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সবার সহযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব।
শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘অ্যাসিভিং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সাউথ এশিয়ান স্পিকারস সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী এসডিজির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের পথে তামাক বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি নিশ্চিত, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে এ অঞ্চলে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করতে হবে।
সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ এমডিজি'র লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। এসডিজি'র লক্ষ্য অর্জনেও সফলতা চায়। এমডিজি ও এসডিজির মধ্যে পার্থক্য হল এমডিজি উন্নয়নশীল দেশের জন্য আর এসডিজি সবার জন্য। আমি মনে করি এসডিজি বাস্তবায়নে অন্যমত বাঁধা তামাক। এ অঞ্চলে তামাক ব্যবহারের নিয়ন্ত্রনসহ বাঁধাগুলো চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নিলে দক্ষিন এশিয়া এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’
ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন, এ অঞ্চলে ব্যবসা-বানিজ্য, যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের গুরুত্ব তুলে ধরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অভ্যন্তরীন গণতন্ত্রের চর্চা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
সুমিত্রা মহাজন বলেন, ‘এমডিজির তুলনায় এসডিজির উদ্দেশ্য অনেকটাই ভিন্ন। এ অঞ্চলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে নিজেদের গণতন্ত্রের চর্চা বাড়ানো জরুরি। আর এ কাজ অনেক বড় চ্যালেঞ্জের। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। বিশ্বে নিজেদের সফলতা প্রমাণ করতে হবে।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী এসডিজি বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদ, সংসদ সদস্য ও স্পিকারদের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, ‘দেশ গঠনে জাতীয় সংসদ পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সংসদ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। দুদিন ব্যাপী এই সম্মেলণে দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর জাতীয় সংসদের স্পিকারদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সবার সহযোগীতায় আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।’
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন-আইপিইউ, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস এর উদ্যোগে এই সেমিনার চলবে ৩১ জানুয়ারী পর্যন্ত।