এখন থেকে কারও কাছে হাত পেতে নয়—দেশের উন্নয়ন নিজেদের টাকাতেই করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য ব্যবসায়ীদেরকে সময়মতো ট্যাক্স পরিশোধ করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আর কারও সাহায্যে নয় দেশের উন্নয়ন করতে হবে নিজেদের অর্থে।
দিনব্যাপী চট্টগ্রাম সফরে ৪ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকার আরো বেশ কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র ওয়াল্র্ড ট্রেড সেন্টার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও বঙ্গবন্ধুর মুর্যারলসহ ৪ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকার বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করতে দুপুর পৌঁনে ১২টায় চট্টগ্রাম সেনানিবাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেনানিবাসের অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী, অক্সিজেন মোড় থেকে কাপ্তাই রাস্তার কুয়াইশ পর্যন্ত সিডিএ নির্মিত বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ম্যুরাল ও কদমতলী ফ্লাইভারের উদ্বোধন করেন। একই সময় বাইপাস সড়ক ও রিংরোডের নির্মাণ কাজেরও উদ্বোধন করেন তিনি।
পরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উদ্বোধন ও দি চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নবম পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণ করাই সেনাবাহিনীর দায়িত্ব—যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে এ সময় সরকারের নানা কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।
এর আগে চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র ওয়াল্র্ড ট্রেড সেন্টার, বঙ্গবন্ধুর মুর্যানল এবং বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে দিনব্যাপী সফরে শনিবার দুপুর পৌনে ১২টায় হেলিকাপ্টার যোগে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে পৌছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ই বি আর সি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌছালে রেজিমেন্টের সুসজ্জিত দল তাকে অভিবাদন জানান। এ সময় অতিথীদের মধ্যে তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নবম টাইগার্সে পূনর্মিলনীর মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন তিনি।
পরে অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় ফিরেন।